দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের এক সপ্তাহ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি চিঠি প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার ১–০ গোলের হারে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এই পথ বেছে নিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে গত কয়েক দিনে চারপাশ থেকে যে সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছেন, সে জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান আর্জেন্টিনা কোচ।
খোলাচিঠির শুরুতে স্কালোনি লিখেছেন, ‘গত এক সপ্তাহ ছিল নানা অনুভূতির মিশেল। দুঃখের সঙ্গে আনন্দ, কান্নার সঙ্গে হাসি, উৎকণ্ঠার সঙ্গে স্বস্তি, আর স্নায়ুচাপের সঙ্গে শান্তি—সবকিছুই একসঙ্গে জড়িয়ে ছিল। এখন একটু শান্ত হয়ে কয়েকটি কথা লিখতে বসেছি। আপনারা জানেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখতে আমি খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। তবু মনে হলো, আপনাদের কাছে আমার কথা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটাই হয়তো সবচেয়ে ভালো উপায়।’
পোস্টে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার হতাশার কথা তুলে ধরেন স্কালোনি, ‘সবার আগে শুধু এটুকুই বলতে চাই—দুঃখিত। আরেকটি ট্রফি এনে আপনাদের আনন্দ দিতে পারলাম না। যদি সেটা পারতাম, হয়তো অন্তত কয়েক দিনের জন্য হলেও জীবনের সব কষ্ট ভুলে থাকতে পারতেন। তবে আমি চাই, আপনারা আমাদের এই দলকে মনে রাখুন। এই খেলোয়াড়দের, আমার যোদ্ধাদের। আমি আমার স্ত্রীকে তাদের কথা বলতে গিয়ে সব সময় এ নামেই ডাকতাম।’
চিঠির সবচেয়ে আবেগঘন অংশগুলোর একটি ছিল তাঁদের উদ্দেশে, যাঁরা টুর্নামেন্টজুড়ে দলটিকে সমালোচনা করেছেন। স্কালোনি লেখেন, ‘যারা আমাদের চেনেই না, তাদের কঠিন সমালোচনাও সহ্য করতে হয়েছে। শরীর যখন আর সাড়া দেয় না, তখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার সংকল্পই আমাদের কাছে আসল ট্রফি।’
এরপর দলের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ‘আমার কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড়, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, যাঁরা নীরবে আমাদের জন্য কাজ করে গেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’
স্কালোনি চিঠি শেষ করার পর জুড়ে দিয়েছেন একটি ‘পুনশ্চ’ লেখা বাক্যও, যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘পুনশ্চ: যার একজন আর্জেন্টাইন বন্ধু আছে, তার কাছে যেন এক অমূল্য সম্পদ আছে।’
কে