দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্পেন–আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ায় ম্যাচ শুরুর আগে ৮২ হাজার ৫০০ টিকিটধারী দর্শকের সবাই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালকে ট্রাম্পের উপস্থিতির কারণে ‘ন্যাশনাল স্পেশাল সিকিউরিটি ইভেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে প্রত্যেক দর্শকের শরীর ও ব্যাগ আলাদাভাবে তল্লাশি করছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।
মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের এক কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে জানিয়েছেন, স্টেডিয়ামে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরের মতো কঠোর নিরাপত্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হচ্ছে। ম্যাচ শুরুর পাঁচ ঘণ্টা আগে থেকেই হেলিকপ্টার টহলসহ হাজার হাজার সিক্রেট সার্ভিস সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকেই ম্যাচ-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মী ও সাংবাদিকেরা স্টেডিয়ামে প্রবেশের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেন। সকাল ৯টায় গেট খোলার সময় লাইনে অপেক্ষমাণ মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারে পৌঁছে যায়। স্টাফদের জন্য রাখা একমাত্র প্রবেশপথে মাত্র দুজন কর্মী অ্যাক্রেডিটেশন পাস যাচাই করায় প্রবেশ প্রক্রিয়া ধীরগতির হয়ে পড়ে। এরপর তাদের বিমানবন্দরের আদলে স্থাপিত ছয়টি স্ক্যানার অতিক্রম করে ব্যক্তিগত তল্লাশির জন্য আরও একটি দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়।
এই নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে পরিচিত ব্যক্তিরাও ছাড় পাচ্ছেন না। বিশ্বকাপে জার্মান স্ট্রিমিং সেবা ‘ম্যাজেন্টা’র বিশ্লেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপকেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর আগে অধিকাংশ দর্শক তখনও স্টেডিয়ামে পৌঁছাননি। তবে তারা এলে একই ধরনের কঠোর নিরাপত্তা ও দীর্ঘ লাইনের মধ্য দিয়েই প্রবেশ করতে হবে।
স্থানীয় সময় ম্যাচ শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সরকারি হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’-এ করে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর।
এমএম/