দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফুটবল মাঠের জাদুকর লিওনেল মেসি কেবল পারফরম্যান্সেই নন, আয়ের দিক থেকেও তৈরি করেছেন এক বিশাল সাম্রাজ্য। বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের ২০২৬ সালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়কের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি। বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকজন বিলিয়নিয়ার ক্রীড়াবিদের তালিকায় মেসি অন্যতম শীর্ষ নাম।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও ক্রীড়াজগতের শীর্ষ ধনীদের একজন। ফোর্বসের আর্থিক হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ১১০ কোটি মার্কিন ডলার।
আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নেওয়া মেসি মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্পেনের বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে যোগ দেন। ২০০৪ সালে সিনিয়র দলে অভিষেকের পর টানা ১৭ বছর বার্সেলোনার হয়ে খেলেন। এরপর দুই মৌসুম ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) কাটিয়ে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন।
বর্তমানে মেসির আয়ের বড় একটি অংশ আসে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে করা চুক্তি থেকে। শুধু বেতনই নয়, চুক্তির অংশ হিসেবে অবসরের পর ক্লাবটির মালিকানায় অংশীদার হওয়ার সুযোগও রয়েছে তার। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভবিষ্যতে তার সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে মাঠের আয়ের পাশাপাশি বাণিজ্যিক চুক্তিই মেসির সম্পদের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। ক্যারিয়ারজুড়ে বেতন, বোনাস, পুরস্কার এবং স্পনসরশিপ মিলিয়ে কর ও এজেন্ট কমিশন বাদ দেওয়ার আগে তার মোট আয় প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে ধারণা করা হয়।
বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে মেসির আজীবন স্পনসরশিপ চুক্তি রয়েছে। এই চুক্তি থেকে তিনি নিয়মিত বিপুল অঙ্কের আয় করেন। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব থেকেও তার উল্লেখযোগ্য আয় হয়।
২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ করেন মেসি। সেই সাফল্যের পর তার বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং বাণিজ্যিক মূল্য আরও বেড়েছে। মাঠের অসাধারণ পারফরম্যান্স, দীর্ঘমেয়াদি স্পনসরশিপ এবং কৌশলগত বিনিয়োগের সমন্বয়ে লিওনেল মেসি এখন শুধু ফুটবলের কিংবদন্তিই নন, বিশ্বের সবচেয়ে সফল ও ধনী ক্রীড়াবিদদের অন্যতম। সূত্র: ফোর্বস
কে