দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস, এরপর ২-০ গোলে পিছিয়ে বিদায়ের শঙ্কা। সেখান থেকে মাত্র ১৩ মিনিটের ঝড়ে তিন গোল করে মিশরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে দলের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন এবং অধিনায়ক লিওনেল মেসির লড়াকু মানসিকতার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।
সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, “লিও পেনাল্টি মিস করার পর ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতেই পারত। কিন্তু ও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। ও আবারও বল চেয়েছে, আবারও চেষ্টা করেছে। ওর এই হার না মানা মানসিকতা আমার গায়ের পশম খাড়া করে (গুজবাম্পস) দেয়।”
ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। এরপর ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনসো ফার্নান্দেসের গোলে মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দলের এমন প্রত্যাবর্তনে আবেগাপ্লুত স্কালোনি বলেন, “যদি আমাদের কোনোদিন হারতেই হয়, তবে আমি এভাবেই হারতে পছন্দ করব। হার-জিতের অনেক ধরন আছে, কিন্তু এই দলটা সবসময় বুক চিতিয়ে লড়াই করতে জানে। আমি প্রতিবারই এই দলটাকে নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। আজকের অনুভূতিটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”
তিনি আরও বলেন, “আজ মাঠে যা ঘটেছে, তা আমাদের বড় বড় অর্জনের মতোই আবেগের। একটা কথা প্রচলিত আছে—এই দলটা কখনো তার সমর্থকদের একা ফেলে যাবে না। আজ সেটিই আবারও প্রমাণ হয়েছে।”
স্কালোনির মতে, ম্যাচের বেশির ভাগ সময়ই নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার হাতে।
তিনি বলেন, “আমার মনে হয়েছে পুরো ম্যাচটাই আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করেছি। মিশর অবশ্যই ভালো দল, কিন্তু তারা মূলত দুই-তিনটি কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ পেয়েছিল।”
শেষ পর্যন্ত নিজের দলের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, “ভেতর থেকে আমার বিশ্বাস ছিল, আমরা সুযোগ পাব এবং ম্যাচটা ঘুরিয়ে দেব। এমন লড়াকু দল খুব কমই দেখেছি, যারা কোনো অবস্থাতেই হাল ছাড়ে না। ২-২ সমতায় ফেরার পরও আমাদের বিশ্বাস ছিল আমরা জিতব। খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষাতেই সেটা স্পষ্ট ছিল।”
এমএস/