দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে মিসর। মার্সিডিজ-বেন্জ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে চাপে রেখে খেলা মিসর ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে লিড নেয়। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস ও মিসরীয় গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেরের একের পর এক দুর্দান্ত সেভে সমতায় ফিরতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরুতে কিছুটা এলোমেলো ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে একাধিক ভুল পাস ও বল হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় মিসর।
১৫ মিনিটে শর্ট কর্নার থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে মারওয়ান আত্তিয়ার নিখুঁত ক্রসে লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে শক্তিশালী হেডে জালে বল পাঠান ইয়াসের ইব্রাহিম। গোলটি ঠেকানোর সুযোগ পাননি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
গোল হজমের পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটে বক্সের ভেতরে ফাউলের কারণে পেনাল্টি পায় তারা। তবে স্পট কিক থেকে নেওয়া লিওনেল মেসির শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মোস্তফা শোবের।
এরপরও একাধিক সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। ২৮ মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের হেড এবং ৩১ মিনিটে মেসির দূরপাল্লার শক্তিশালী শট গোল হতে দেননি ভাগ্য ও শোবের। মেসির শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
৩৯ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের নিচু শটও অসাধারণ প্রতিক্রিয়ায় রুখে দেন শোবের। প্রথমার্ধজুড়ে আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ করে মিসরকে এগিয়ে রেখেছেন এই গোলরক্ষক।
এদিকে বিশ্বকাপে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছেন মেসি। টুর্নামেন্টে নেওয়া আটটি পেনাল্টির মধ্যে এটি ছিল তাঁর চতুর্থ মিস। একই বিশ্বকাপ আসরে (টাইব্রেকার বাদে) দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলারও হয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
প্রথমার্ধ শেষে তাই ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে গেছে মিসর, আর সমতায় ফিরতে দ্বিতীয়ার্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে আর্জেন্টিনা।