দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাজিল ও জাপানের দূরত্ব শুধু ভৌগোলিক মানচিত্রেই। ফুটবল মাঠে গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিতই মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। সেই লড়াইয়ের ইতিহাসে স্পষ্টভাবে এগিয়ে ব্রাজিল। তবে সবশেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান।
১৯৮৯ সালে প্রথমবার মুখোমুখি হয় দুই দল। জে লিগে খেলা ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার বিসমার্কের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে ব্রাজিল শুরু করে নিজেদের আধিপত্য। এরপর এখন পর্যন্ত ১৪টি ম্যাচে ব্রাজিল জিতেছে ১১টিতে, দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে এবং জাপান জয় পেয়েছে মাত্র একটিতে।
তবে সেই একমাত্র জয়টিই এসেছে দুই দলের সর্বশেষ সাক্ষাতে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে জাপান। বিরতির আগে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে তাকুমি মিনামিনো, কেইতো নাকামুরা ও আয়াসে উয়েদার গোলে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিলকে।
জাপানের জন্য এটি ছিল বহু প্রতীক্ষিত একটি জয়। এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে টানা ছয় ম্যাচে হারের স্বাদ পেয়েছিল তারা। সবশেষ জয়ের আগে ২০১৩ সালের কনফেডারেশন্স কাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল জাপানকে। পরে সেই আসরের শিরোপাও জেতে সেলেসাওরা।
অবশ্য জাপান এর আগে ২০০১ ও ২০০৫ সালের কনফেডারেশন্স কাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে দুটি ড্র করেছিল। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম দেখায় ব্রাজিলই ছিল দাপুটে। ২০০৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কেইজি তামাদার গোলে পিছিয়ে পড়েও রোনালদোর জোড়া গোলসহ ৪-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ব্রাজিল।
ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানেও জাপানের বিপক্ষে উজ্জ্বল ব্রাজিলিয়ান তারকারা। ২০০৬ বিশ্বকাপে রোনালদো নায়ক হলেও এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি নন। সেই রেকর্ডটি নেইমারের। জাপানের বিপক্ষে তিনি করেছেন ৯ গোল। এর মধ্যে ২০১৪ সালের একটি প্রীতি ম্যাচেই করেছিলেন চার গোল, যা এখনো জাপানের বিপক্ষে কোনো ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারের অন্যতম সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স।
এমএস/