দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত ৯ বছর ধরে বড় বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলেছে বাংলাদেশ। কারও কাছেই হোয়াইটওয়াশ হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু লম্বা সময় পর আফগানিস্তানের কাছে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা জাগে টাইগারদের।
শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের দেয়া ১২৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৭ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লিটন বাহিনী।
লক্ষ্যটা একদমই বড় ছিল না। তবুও শুরুতে নাঈম শেখের (০) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ক্রিজে এসে শান্তও (১১) পারলেন না টিকতে। এরপর সাকিব- লিটন ৬১ রানের জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন। সাকিব ৩৯ রানে ফিরলে ভাঙে এই জুটি।
এরপর তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন। অধিনায়ক ৬০ বলে ৫৩ ও হৃদয় ১৯ বলে ২২ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন।
আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ নবী। টানা ২ ম্যাচ হেরে সিরিজ আগেই খুইয়েছিল স্বাগতিক শিবির।
এর আগে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৫.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা সংগ্রহ ১২৬ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি আফগানদের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগে ২০১৬ সালে মিরপুরে দলটি ১৩৮ রানে অলআউট হয়। একশর আগে অলআউট হতে হতেও হলো না।
নবম উইকেটে আজমতুল্লাহ-মুজিবের (৩৬) জুটি আফগানদের দ্রুত অলআউট হওয়া থেকে রক্ষা করে। নবম উইকেটের পতনের পর তিন বলের মাঝে আজমতুল্লাহ আউট হলে শেষ হয় আফগানদের ইনিংস।
৭১ বলে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন আজমত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান আসে হাশমতুল্লাহর ব্যাট থেকে। এ ছাড়া আর কেউ দশের বেশি রান করতে পারেননি। বাংলাদেশের দারুণ শুরু এনে দেন শরিফুল।
শুরুতেই তার তোপে ধস নামে আফগান ইনিংসে। ৩২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়ার আগে শরিফুল ৯ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট।
এটি তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে ৪ উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৩৮ রান। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন-তাইজুল। সাকিব-মিরাজের ঝুলিতে জমা হয় ১টি করে উইকেট।