দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লাঞ্চ বিরতির আগে নাঈম হাসান যেখানে শেষ করেছেন, সেটা টেনে নিয়ে গেলেন বিরতির পরও। সঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি তো আছেই। সব মিলিয়ে চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরকারীদের দ্রুত অলআউট করে লিডও নিল বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তৃতীয় দিনে সেটারই পুনরাবৃত্তি করল বাংলাদেশ। যেখানে ৫১ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকেরা গুটিয়ে যায় ২৭২ রানে। আজ লাঞ্চের পর মিরাজ-নাঈমের ঘূর্ণিতে কোনো রান যোগ করতেই শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রানে শেষ উইন্ডিজ। বাংলাদেশ পেল ২৭ রানের লিড।
ক্যারিবিয়ানদের লেজ গুটিয়ে দিয়ে মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেন নাঈম।
৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুর দিকে বাংলাদেশকে অপেক্ষায় রাখেন তেজনারাইন চন্দরপল ও জাস্টিন গ্রিভস।
পঞ্চাশ ছুঁয়ে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি চন্দরপল। শরিফুল ইসলামের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন ১৬৪ বলে ৫৬ রান করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার বিদায়ে ভাঙে ৬২ রানের জুটি।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েন গ্রিভস ও রস্টন চেইস। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগের ওভারে গ্রিভসকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন নাঈম। ২ চারে ১০৬ বলে ৪৬ রান করেন গ্রিভস।
দ্বিতীয় সেশনে বেশি লম্বা হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং। একপ্রান্তে অপরাজিত থেকে যান চেইস। অন্য প্রান্তে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই।
মাত্র ১১ রানের মধ্যে শেষের ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা। এর মধ্যে তিনটিই নেন নাঈম। যার সৌজন্যে পূর্ণ হয় তার ক্যারিয়ারের ৫০ উইকেট।
একপ্রান্তে শেষ পর্যন্ত ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন চেইস।
কেএম