দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিউজিল্যান্ড থেকে ইঁদুর নির্মূলের এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটির সরকার। মূলত রাজধানী ওয়েলিংটনের মিরামার এলাকার পাখিকে রক্ষায় এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এজন্য কাজ করে যাচ্ছে প্রিডেটর-ফ্রি মিরামার নামে একটি সংগঠন। খবর বিবিসি’র।
ইঁদুর শিকারে বেশ আঁটঘাঁট নিয়েই মাঠে নেমেছে প্রিডেটর-ফ্রি মিরামার। ইঁদুরের জন্য বিষ মাখানো বাদামের মাখন ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। এজন্য স্বেচ্ছাসেবীদের প্রতিটি দলের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
এই গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডান ক্যুপ। স্বেচ্ছাসেবীর হাতে ইঁদুর মারা এই টোপ তুলে দেওয়ার পর তাদের শুভ কামনা জানান তিনি। তবে ইঁদুর মারা এই প্রজেক্টে এখনও পর্যন্ত আশানুরূপ ফলাফল পাননি ক্যুপ। তিনি বলেন, এখানে এখনও ইঁদুর রয়েছে।
তবে শিকারি প্রাণী নির্মূল করার এই প্রজেক্ট শুধু মিরামারের জন্যই নয়, বরং পুরো নিউজিল্যান্ডে এমনটা করতে চায় দেশটির সরকার। ২০৫০ সালের মধ্যে দেশটিকে ইঁদুরসহ অন্যান্য শিকারি প্রাণীমুক্ত করতে চায় নিউজিল্যান্ড সরকার।
দক্ষিণ আটলান্টিকে অবস্থিত ১৭০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বীপ দক্ষিণ জর্জিয়া থেকে ইতোমধ্যে সব ইঁদুর নির্মূল করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের সংরক্ষণবাদীরা বিশ্বাস করেন, তারা ইঁদুরমুক্ত করার এই প্রজেক্টে সফল হবেন।
প্রাচীন উপমহাদেশ থেকে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি বছর আগে আলাদা হয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তখনও পৃথিবীতে স্তন্যপায়ীদের পদচারণা শুরু হয়নি। ফলে স্থলে শিকারি প্রাণী না থাকায় যেসব পাখি উড়তে পারে না তারা সহজেই বাসা বাঁধতে পারত।
তাই এসব নিরীহ পাখির জীবন বাঁচাতে এর আগেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১৯৬০’র দশকে সংরক্ষণবাদীরা কিছু ছোট অফশোর দ্বীপ থেকে ইঁদুর নির্মূলে সক্ষম হন। কিন্তু শিকারি প্রাণীদের নির্মূলে ২০১০ সালের আগ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে সামাজিক আন্দোলন বা সচেতনতা গড়ে ওঠেনি।