দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এনসিপির নেতা ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তাকে সামনাসামনি আলোচনার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক। এরপর সে দুর্নীতি করেছে কী করে নাই, সেটা আমি প্রমাণ করে দিবো।’
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, সরকারের উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় আসিফ মাহমুদ কেন ও কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ এখনো কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময়ে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেনি। বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে। তার প্রশ্ন, সে সময়কার দুদক যদি এতটাই নিরপেক্ষ হয়ে থাকে এবং এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে, তাহলে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি কেন?
তিনি বলেন, তখনই যদি অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুদক তদন্ত করত, তাহলে বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না।
আসিফ মাহমুদের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বুধবার প্রেসক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কোনো সিনিয়র নেতাকে দেখা যায়নি। এর আগে এনসিপির কার্যালয়ে আসিফ মাহমুদের সংবাদ সম্মেলনেও কোনো সিনিয়র নেতাকে দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছে না?’
আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতে ইসলামীর আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে রাজি হননি—এ প্রশ্নও তোলেন রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে সে সময় তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধও জামায়াতের আমির রাখেননি কেন? তিনি আরও প্রশ্ন করেন, ‘আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিল?’
জাতীয় নির্বাচনে যে কারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়েননি, একই কারণে এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও কি তাকে ছাড় দেওয়া হবে—এমন প্রশ্নও রাখেন রাশেদ খাঁন।
/অ