দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম কাঠামো মেনেই মানুষকে চলতে হয়। এজন্য একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিয়ের ব্যাপারে ইসলামে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিয়ে রাসুল (সা.) এর একটি সুন্নাত। এজন্য দৃশ্যমান কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকলে এই সুন্নাত পালন করা উচিত।
হাদিসের বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস’উদ (রা.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আমরা কয়েকজন যুবক ছিলাম; আর আমাদের কোনো কিছু ছিল না। এই অবস্থায় আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা, বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান হিফাজত করে এবং যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। কেননা, সওম তার যৌনতাকে দমন করবে। [১৯০৫](আধুনিক প্রকাশনী: ৪৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন: ৪৬৯৬)
তবে কোনো সামর্থ্যবান পুরুষ যদি বিয়ে না করলে গুনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করে, তাহলে তার ওপর বিয়ে করা ওয়াজিব হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ে না করার কারণে কেউ যদি হারাম দৃষ্টি, স্পর্শ বা চুমু খাওয়ার মাধ্যমে পাপে জড়িয়ে পড়ে, তার ওপর বিয়ে করা ফরজ।
বিয়ের বিষয়ে পবিত্র কুরআনেও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কারও বিয়ে করার মতো সামর্থ্য না থাকলে সংযম অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তায়লা। পবিত্র কুরআনে সুরা নুরের ৩৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়লা ইরশাদ করেছেন, ‘আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম অবলম্বন করে।’
এইউ