দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সৌদি আরবে আকামা, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৪৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময়ে ১০ হাজার ৮২৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় রোববার (৯ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানায়। খবর গালফ নিউজের।
মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৩০ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ হাজার ৯০ জন রেসিডেন্সি বা আকামা আইন লঙ্ঘনকারী, ৩ হাজার ৯৩২ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী এবং ৩ হাজার ৪১৮ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনকারী রয়েছেন।সংবাদ প্রতিবেদন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্রমণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য ১৮ হাজার ১৩১ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে তাদের নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া চূড়ান্তভাবে দেশত্যাগের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও ৬ হাজার ৩৫৭ জনকে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বেআইনিভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১ হাজার ৫৯৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশ ইয়েমেনি, ৫৯ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। অন্যদিকে, দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে পালানোর চেষ্টাকালে আরও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ছাড়া অবৈধ অধিবাসীদের পরিবহন, আশ্রয় বা কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়ার অভিযোগে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে ২৯ হাজার ৯৯৫ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ১৭ জন নারীসহ মোট ৩২ হাজার ১২ জন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, অবৈধ নাগরিকদের অনুপ্রবেশ, পরিবহন, আবাসন বা কর্মসংস্থানের সুবিধা প্রদানকারীদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। একই সঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।
কে