দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি প্রদর্শনী ‘ইনট্যাক ২০২৬’। শুক্রবার (২ অক্টোবর) শুরু হওয়া এ আন্তর্জাতিক আয়োজনে পর্যটন সম্ভাবনা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং ট্রাভেলটেক প্রতিষ্ঠান ‘এম৩৬০ আইসিটি’ (M360 ICT) যৌথভাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। মেলায় নির্ধারিত দুটি বুথের মাধ্যমে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং পর্যটন খাতের আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবাগুলো আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।

মেলার দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ বুথে বিদেশী পর্যটকদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও তাদের বিদেশী সহপাঠীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
এর আগে, মেলার প্রথম দিন গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে প্রদর্শনীর ওপেন স্টেজে বাংলাদেশের পর্যটন বিষয়ক বিশেষ ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। একই সাথে মিজ শামিমার নেতৃত্বে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী সংস্কৃতিকর্মীদের একটি দল আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন, যা আন্তর্জাতিক দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।
উদ্বোধন শেষে মেলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী বাংলাদেশ বুথসহ প্রদর্শনীর বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মেলায় আগত দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন এবং পর্যটন শিল্পের প্রসারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এর আগে মেলার সম্মানিত অতিথি (গেস্ট অব অনার) এবং মালয়েশিয়া পর্যটন বোর্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (প্রমোশন) আকবাল সেতিয়া বাংলাদেশ বুথ পরিদর্শন করেন এবং বৈশ্বিক এই আয়োজনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, ৩ দিনব্যাপী আয়োজিত এই ‘ইনট্যাক ২০২৬’ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা মোট ১৫৫টি বুথে তাদের পর্যটন ও সংস্কৃতি তুলে ধরছেন। আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই আন্তর্জাতিক মেলা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের পারস্পরিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
কেএম