দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোলার মাটিতে বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
জানাজা শেষে তার মরদেহ কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জীবদ্দশায় নিজ জন্মভূমি ভোলার মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তোফায়েল আহমেদ। পরিবারের সদস্যরা তার সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
এর আগে রাজধানী ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ ভোলায় আনা হয়। ভোলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে ভোলাসহ সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহল তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ ভোলায় পৌঁছানোর পর থেকেই গ্রামের বাড়িতে শোকের আবহ তৈরি হয়। দূরদূরান্ত থেকে আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও দলীয় নেতাকর্মীরা সেখানে ছুটে আসেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৭০ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ও কিংবদন্তিতুল্য রাজনীতিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
এমএস/