দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে ‘বেগম খালেদা জিয়া: জাতীয় আস্থা ও নির্ভরতার প্রতিচ্ছবি’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন, স্মরণসভা, চিত্র প্রদর্শনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।
সোমবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক মুহাম্মদ শামসুল আরেফীন। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে বেগম খালেদা জিয়া ভ্যাট ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আহরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। তিনি নারী শিক্ষার প্রসার ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামোয় নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন উল্লেখ করে বলেন, ১৯৯১ সালে সরকারি অফিসে কর্মরত নারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৬৫০ জন, যা ২০০৬ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ হাজার ৮০০ জনে। যৌতুক ও এসিড সন্ত্রাস দমনে তার সরকারের কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্য, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের প্রতীক। তার শাসনামলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে। নারী অধিকার, শিক্ষা বিস্তার ও সামাজিক নিরাপত্তায় তার অবদান চিরস্মরণীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন সময়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবে বর্তমান প্রজন্ম সেসব দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তাকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, জোর করে অর্থ ব্যয় করে কাউকে মানুষের মনে প্রতিষ্ঠা করা যায় না, বরং তা ভেঙে পড়ে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে নিরপেক্ষ গবেষণার জন্য একটি গবেষণা কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।
এমএস/