দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের পক্ষ থাকা’ শিক্ষ-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুঁশিয়ারি দেওয়ায় বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ক্ষিপ্ত হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
একই সঙ্গে ছাত্রদলকে ‘চাচ্চু’ ও ‘চান্দাভাই’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ অছাত্র রাকসুর আশেপাশেও যেন না দেখি। তাদের জন্য রুয়া (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন) আছে, রাকসুতে তাদের কাজ নাই।’
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৩৭ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেছেন আম্মার।
সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, ‘আল্টিমেটাম দিলাম আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষক,কর্মকর্তা,কর্মচারীরা যদি ক্যাম্পাসে ঢুকে তাহলে জোহা চত্বরে বেধে রাখবো। রেগে গেল ক্যাম্পাসের ছাত্রদল আর বিএনপি! ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ একই ভাষায় বিবৃতি দিল, বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা ভিসির কাছে নালিশ দিল তারা নাকি ক্যাম্পাসে আসতে ভয় পাচ্ছে। বললাম লীগরে আর ভয় পাইতেছে বিএনপির টিচাররা।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘আরেকটা পয়েন্টে আসি— ছাত্রদলের আহ্বায়ক ভিসির চেয়ারসহ পদ্মা নদীতে ফেলে দিতে চাইল, এটার থেকে আমার কথাটা বড়? বিএনপির চেতনাবাজদের বিবৃতি কোথায়? ছাত্রদলের এক চাচা আজ ঘোষণা দিল ৩০ মিনিটে তালা মেরে দিবে, বলি চাচা শুনেন! মন দিয়ে শুনবেন! ক্যাম্পাসে ২০০৭ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত কুকুর বিড়ালের মত এই ক্যাম্পাসে পড়ে থেকে ক্যাম্পাসের বোঝা হব না। ১ দিন থাকলে থাকার মতো করেই থাকব। একেকজন ১০-১২ বছর ক্যাম্পাসে থেকে কোন কল্যাণে আসছেন একটু ভেবে দেইখেন।’
‘রাকসুর সাধারণ সম্পাদকের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যা কাজ আছে সব করতেছি কিনা একবার দেখে যাইয়েন’ উল্লেখ করে আম্মার লিখেছেন, ‘কাজ করার পরেও যদি রাকসুতে আসছেন ১, ২, ৩, ৪ করে দিব। তার থেকে বড় কথা কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ অছাত্র রাকসুর আশেপাশেও যেন না দেখি। তাদের জন্য রুয়া আছে, রাকসুতে তাদের কাজ নাই। আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের উৎখাতে কাজ করবো, সাহস থাকলে আসো চান্দাভাই।’
কে