দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির মধ্যে সংসদ ভেঙে দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়া মানে সাংবিধানিক সংকট তৈরি করা। বিএনপি সাংবিধানিক সংকট তৈরি করে দেশকে অশান্তি করতে চায়।
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) বিকেলে নগরীর শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের উদ্যোগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপির ২০১৩ ও ১৪ সালে যে সমর্থন ছিল, তা এখন আর নেই। বিএনপি এখন পা ভাঙা দল। তারা দেশের উন্নয়ন ও সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায়। তাদের সেই চেষ্টা আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবো ইনশাআল্লাহ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বুধবার দিনাজপুরের এক জনসভায় বিএনপির মহাসচিব ফখরুল সাহেব ঘোষণা দিয়েছেন, তারা আর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিবেন না। তারা এখন অশান্তির কর্মসূচি দিবেন। তারা আবারও জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন করতে চায়। দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তারা আমাদের হুমকি দিতে চায়। তাদের হুমকি সাগরে মারা গেছে, তাদের হুমকি গরুর হাটে মারা গেছে।
তাদের বলতে চাই, আওয়ামী লীগের কর্মীদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে আমরা আর বসে থাকব না, দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছি। এই আওয়ামী লীগ এখন শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২ আগস্ট রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। সেই সমাবেশের নাম সমাবেশ হলেও এই সমাবেশ হবে মহাসমাবেশ, জনসমুদ্রের সমাবেশ। কেননা রংপুর হলো সজিব ওয়াজেদ জয়ের জন্মস্থান। তাই সমাবেশকে করতে জনসমুদ্রের সমাবেশে রূপান্তর করতে হবে। এজন্য পাড়া-মহল্লায় প্রধানমন্ত্রীর আসার খবরটি প্রচার করতে হবে। বর্ণাঢ্যভাবে প্রচার-প্রচারণা করতে হবে। সেই সাথে রংপুর বিভাগের উন্নয়ন নিয়ে প্রচার করতে হবে। সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে হবে।
বিশেষ বর্ধিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সম্মানিত অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া ও অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমি।
এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহীম, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডিউক চৌধুরীসহ রংপুর বিভাগের এমপিগণ।