দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে না বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ৮টি দেশের কূটনীতিকদের জানিয়েছে দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি।
শনিবার (১৪ জুলাই) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি বিষয়টি জানায়।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনকে নিয়ে সারাবিশ্বের নজর কেন, এটাই হচ্ছে প্রশ্ন। কেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলকে এখানে এসে নির্বাচন নিয়ে তাদের মতামত দিতে হচ্ছে? দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে তো তাদের যেতে হচ্ছে না। কেন বাংলাদেশে আসতে হচ্ছে? এটা সবার মনে প্রশ্ন। তাদের মনেও হয়ত একই প্রশ্ন কেন এখানে আসতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন যে প্রশ্নবিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য নয় এটাই তার ভিত্তি।
আজ সারাবিশ্ব বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নজর দিয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, তারা তাদের মতামত প্রকাশ করছে। তারা জানতে চাইছে আগামী দিনে নির্বাচন আদৌ জনগণের ভোটের মাধ্যমে হবে কি না। আর আমাদের পক্ষ থেকে যেটা সবসময় বলে আসছি, দেশের মানুষ ও বিশ্ব বলছে, এই অবৈধ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
নির্বাচনের দিন তো দূরের বিষয়, এখনি নির্বাচনের ভোট চুরি চলছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখনি ডিসিদের, পুলিশের পোস্টিং হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার চলছে, বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ চলছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা ত্বরান্বিত করে সাজা দিচ্ছে। যাতে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে। অর্থাৎ ভোট চুরি প্রত্যেকদিন চলছে বাংলাদেশে। আগামীতে তারা নিয়ন্ত্রণ করে ভোট চুরি করবে। স্বাভাবিক এই বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে। আমরা বলেছি, এই অবৈধ সরকারের অধীনে দেশের মানুষ তাদের ভোট প্রয়োগ করতে পারবে না। তাদেরকে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে না। তাদের সরকার নির্বাচন করতে পারবে না। বিষয়গুলো সবার জানা আছে, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো যেহেতু আলোচনা আসছে, তাই বারবার বলতে হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাঈল জবিউল্যাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এবং মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও ফরেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।