দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বহিষ্কারও অনেক সময় সম্মানজনক-দাবি করে সাবেক বিএনপি নেতা ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমি দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কার হয়েছি, বেইমানি করি নাই।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে গণসংযোগ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যাদেরকে নিয়ে বিএনপি গঠন করেছিলেন। তাদের অনেকেই যে কারণে দল করতে পারেন নাই, সেই একই কারণে এখনও অনেকে দল করতে পারছেন না।
সুষ্ঠু ভোটের আশাপ্রকাশ করে তিনি বলেন, আগের দিন চলে গেছে, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি এইবার হবে না। নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় আছেন।
সাবেক এই বিএনপি নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির কাছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে আগের মতো আপনার ভোট অন্য কেউ বা কোনো সন্ত্রাসী দিতে পারবে না। যারা নির্বাচনি কাজে বাধা দিয়ে সন্ত্রাসী ভূমিকা পালন করবে তাদের স্থান হবে জেলখানায়, এইটাই সরকারের সিদ্ধান্ত।
তৈমূর আলম খন্দকার রূপগঞ্জের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেন্দ্রে আসবেন, ভোট দিবেন। আপনার ভোট অন্য কেউ দিতে চাইলে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবেন। প্রশাসনের উদ্যোগের কারণে জনগণ সোচ্চার হয়েছে। রূপগঞ্জের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে বলে মনে করি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশব্যাপী যেন এমন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাতে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী নৌকার ক্ষমতা বা অর্থের প্রভাবে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।গ
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, গত দু-একদিন নির্বাচনের পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের আশ্বাস ও উদ্যোগের কারণে জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে এবং আস্থা ফিরে পাচ্ছে।
এর আগে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল ও গাড়িরবহর নিয়ে শোভাযাত্রা করে চনপাড়ায় পৌঁছান তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার।
গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আচরণবিধির কোথাও নাই যে গাড়ি নিয়ে আসা যাবে না।
তৈমুর আলম খন্দকার আরও বলেন, চনপাড়ায় নৌকার প্রার্থী ছাড়া অন্য কারো পোস্টার লাগানো যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। আমার পোস্টার ছিঁড়ে কর্মীদের মারধর করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনকে জানানোর পর তারা যথেষ্ট ভূমিকা নিচ্ছেন।
ডিপি/