দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ৯৯ ভাগ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে সংখ্যালঘুদের অধিকার সবচেয়ে বেশি থাকে। নাগরিক হিসেবে তারা সবচেয়ে বেশি অধিকার ভোগ করে।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, হেফাজত নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। কিছু সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কিছু লবিস্ট বিএনপি-জামায়াত ধর্মান্ধদের টাকা খেয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়। আদিলুর রহমান টাকা খেয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে বিদেশিদের বিভ্রান্ত করেন।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বলেছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার নেই, কথা বলার অধিকার নেই, মানবাধিকার হুমকির মুখে। তারা (ইইউ) বাংলাদেশে টিম পাঠাক। আপনারা সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কথা বলেন। বাংলাদেশের দুই-এক ভাগ সংখ্যালঘু যদি বলে- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের নিরাপত্তা দেয়নি, সবচেয়ে ভালো অবস্থানে নেই, আমরা এ দেশে সরকারে থাকব না।
তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে এমপি হিসেবে বলছি, এ দেশ হিন্দু, খ্রিষ্টান, গারো-চাকমা প্রতিটি মানুষের। এই সংখ্যালঘুদের ৯৯ ভাগ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। তারা আওয়ামী লীগের পক্ষে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে ৫ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে হেফাজত সমাবেশ করেছিল। আমি সেদিন ত্রাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলাম। খুব কাছে থেকে দেখেছি, তাদের খুব অনুরোধ করেছিলাম সমাবেশ শেষ করতে, সন্ধ্যার দিকে সরকারের কাছে খবর এলো তারা সমাবেশ থেকে উঠে যাবে না। রাতের মধ্যে তারা নাকি সরকারের পতন ঘটাবে।
আওয়ামী লীগের এই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, রাত আটটার দিকে কি দেখেছিলাম। খালেদা জিয়া বিবৃতি দিয়ে জানাল বিএনপি নেতাদের হেফাজতের পাশে দাঁড়াতে। এরশাদ ফ্রিজের ঠান্ডা পানি নিয়ে হেফাজতের পাশে দাঁড়ালেন, খাবার নিয়ে দাঁড়ালেন। সারা দেশ আতঙ্কগ্রস্ত। আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি, রাত ৩টার মধ্যে শাপলা চত্বর পরিষ্কার হয়েছিল। সেখানে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছিল ঢাকা মহানগরের নেতারা।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, হেফাজতের সেই সমাবেশে ৬১ জন মানুষ মারা গেছে– এর চাইতে বড় মিথ্যাচার আর কি হতে পারে। সে মিথ্যাবাদীর যদি বিচার হয় আইনে, সেটা কি অন্যায়।
আরএ