দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অনুপ্রবেশকারীরা আ.লীগকেও খেয়ে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি (জেপির) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অনেকে ক্ষমতাসীন দলে অনুপ্রবেশ করেছে, তাদের কেউ কেউ নেতৃত্বেও জায়গা করে নিয়েছে।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জেপির চেয়ারম্যান বলেন, প্রয়াত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী মৃত্যুর আগে একাধিক কলামে লিখে গেছেন- খোদ সরকারপ্রধানের চারপাশে এদের অবস্থান। ক্ষমতাসীন দলও বলছে- স্বাধীনতাবিরোধীরা দলে অনুপ্রবেশ করেছে, সব অপকর্মের মূলে তারা। অতএব, বাঁচতে হলে আমাদের সাবধান থাকতে হবে।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, একসময় ছাত্রদল করা, রাজাকারের ছেলে, অনুপ্রবেশকারীরা এখন বড় নেতা বনে গেছে। তারা নিজেদের এতটাই শক্তিশালী ভাবছে যে, আমাদেরকে পিটিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়ার কথাও উচ্চারণ করছে। আন্দোলন নয়, ক্ষমতা নয়; মান-সম্মান রক্ষায় এবং অস্তিত্বের জন্য এখন আমাদেরকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এ অবস্থায় নির্বাচন সম্পর্কেও ঠাণ্ডা মাথায় আমাদের ভাবতে হবে।
জেপি চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা শেষে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকরা আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন- বিএনপি না এলেও নির্বাচনে যাব কিনা; জবাবে সেদিন বলেছিলাম- আমরা বিপ্লবীও নই, সন্ত্রাসীও নই; বন্দুকের নলের গোড়ায় ক্ষমতা এটা আমরা জানি না; আমাদের অবস্থান নির্বাচনের পক্ষে। তবে, এবার নির্বাচন প্রশ্নে আমাদেরকে ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, জেপির লক্ষ্য আছে, নীতি-আদর্শ আছে। দেশে গণতন্ত্র থাকুক তা আমরা চাই। সেই পাকিস্তান আমল থেকেই জোটের ইতিহাস হতাশাজনক। জোটবদ্ধ ছাড়া নাকি আন্দোলন ও নির্বাচন হয় না, কিন্তু ফলাফল শূন্য। একইভাবে এখন ১৪ দলের শরিকদের বক্তব্য-বিবৃতি শুনলে মনে হয় তারা তাদের অবস্থা নিয়ে চিন্তিত।
সম্প্রতি একটি পৌরসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ ইঙ্গিত করে জেপি চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচন কমিশন নিজেরাই বলে, আগের রাতেই ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার তার কেটে ফেলা হয়েছে। পরে কী হলো। কমিশন নিজেই একজনকে চিহ্নিত করল, আইনে তার দুই বছর জেল হওয়ার কথা। কমিশন এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে চিঠিও লিখল। তারপর কী হলো।
আরএ