দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বনেতাদের বিবৃতি খতিয়ে না দেখলে জাতিকে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন, বান কি মুনসহ বিশ্ববরেণ্য ১৭৫ জন নেতার মধ্যে ১০৪ জন নোবেল বিজয়ী বিবৃতি দিয়েছেন ডক্টর ইউনূসের পক্ষে। তাদের বিচার-বুদ্ধি বা সততা সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা কটাক্ষ করা হাস্যকর।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় যুব সংহতির এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
জিএম কাদের বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কথা নেই। বিশ্ববরেণ্য এত নেতা একটি বিষয়ে কেন বিবৃতি দিয়েছেন, এটা আমার জানা নেই। তবে বিশ্ববরেণ্য ঐ সকল মানুষের বিচার, বুদ্ধি, বিবেক ও সততা নিয়ে কটাক্ষ করা বিশ্বে আমাদের হাস্যকর করে তুলছে।
জিএম কাদের বলেন, বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিদের বক্তব্যে বিচারবিভাগীয় হয়রানির অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের বিচার-বুদ্ধি বা সততা সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা কটাক্ষ করা হাস্যকর। তারা বিচার বিভাগীয় হয়রানির কথা বলেছেন, এটি সংশ্লিষ্টদের খতিয়ে দেখতে হবে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্ববরেণ্য নেতাদের বিবৃতি খতিয়ে দেখা উচিত। নয়তো এ দেশকে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে।
গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নিউইয়র্ক টাইম পত্রিকা প্রতিবেদন করেছে, নীরবে ধ্বংস করা হচ্ছে একটি দেশের গণতন্ত্র, কাঠগড়ায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ। নিউইয়র্ক টাইমসের সেই প্রতিবেদনেও বিচারিক হয়রানির কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে গণতন্ত্রহীনতার কথা বলা হয়েছে। গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে বর্তমান সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসকে বিশ্বের এক নম্বর গণমাধ্যম বলা হয়ে থাকে। তাদের যেকোনো প্রতিবেদন সারাবিশ্বে গ্রহণযোগ্য। দেশের মানুষ, সরকার ও বিরোধীদলের সঙ্গে কথা বলে নিউইয়র্ক টাইমস এই প্রতিবেদনটি করেছে।
আরএ