দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এ সময়ে অর্থনীতির আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।
কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে প্রকাশিত আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্যের ভিত্তিতে এ পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার জিডিপি ৬৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ভিয়েতনামের ৬৬৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে থাইল্যান্ডের অর্থনীতির আকার দাঁড়াতে পারে ৬৪৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। ফলে পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশ এসব দেশের চেয়ে বড় অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে।
এ ছাড়া ডেনমার্কের জিডিপি ২০৩০ সালে ৫৮৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে। দেশগুলোর অর্থনীতির আকারের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
আইএমএফের পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির এক-তৃতীয়াংশের বেশি এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসতে পারে।
২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় শীর্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থনীতির আকার ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের অর্থনীতি হতে পারে ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারের।
তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে জার্মানি ও ভারত। জার্মানির অর্থনীতির আকার ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন এবং ভারতের ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবধানে জার্মানির কাছাকাছি চলে আসতে পারে ভারত।
এশিয়ার অন্যান্য বড় অর্থনীতির মধ্যে জাপানের জিডিপি ৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থাকা যুক্তরাজ্যের জিডিপি ৫ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
তবে একই সময়ে রাশিয়ার অর্থনীতি সংকোচনের মুখে পড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএস/