দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

১৯৯৪ সালে বিভিন্ন অধিকার আদায়ের আন্দোলনে চাকরিচ্যুত ব্যাটালিয়ন আনসারবাহিনীর সদস্যরা প্রাপ্য পেনশন সুযোগ-সুবিধা ও যোগ্যদের পূনর্বহালের দাবিতে রাজধানীর খিলগাও আনসার বিজিপির সদর দপ্তরের এক মাস যাবত আমরণ অনশন করছেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় চরম বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করছেন ৩১ বছর আগে চাকুরিচ্যুত সদস্যরা। বাদীপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ সরকার ও আনসার কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ঝুলে আছে এ রায়ের বাস্তবায়ন। এদিকে হাইকোর্টের রায়ের স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আনসার কর্তৃপক্ষ।
মনিরুজ্জামান। বয়স ষাটের কাছাকাছি। জীবনের যে সময়টায় কাটানোর কথা ছিল নাতি- নাতনি, ছেলে মেয়ের সঙ্গে হেসে-খেলে কিন্তু এখন তার দিন কাটছে রাস্তায়। বলছি ১৯৯৪ সালে চাকরি হারানো একজন ভুক্তভোগীর কথা। একমাস ধরে রাজধানীর খিলগাও আনসার বিজিপির সদর দপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে। আমরন অনশন করছেন তিনি।
দীর্ঘ বছর অপেক্ষা শেষে আদালতের রায় হাতে পেলেও সরকার কিংবা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রায় কার্যকরের ব্যবস্থা না নেওয়ায় চোখে সরিষা ফুল দেখছেন চাকরি হারানো সদস্যরা।
১৯৯৪ সালে অধিকার আদায়ে দাবিদাওয়াসহ মাঠে নামেন আনসার সদস্যরা। আন্দোলনের নামে বিদ্রোহ করার অপরাধে প্রায় আড়াই হাজার সদস্যকে গ্রেপ্তার ও চাকুরিচ্যুত করে তৎকালীন সরকার। নিজেদের নির্দোষ দাবি করে পরবর্তীতে আদালতে শরণাপন্ন হলে ২০১৮ সালে বিদ্রোহের অভিযোগ থেকে খালাস পান অনেকেই। এদের মধ্যে যাদের বয়স ও সক্ষমতা রয়েছে কিংবা তাদের বয়স শেষ হয়েছে তাদেরকে যতদিন ছিলেন সে অনুযায়ী সুবিধা দিতে সরকারকে নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের সেই আদেশ এখনো কার্যকর হয়নি।
বাদীপক্ষের আইনজীবীর অভিযোগ সরকার ও আনসার কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ঝুলে আছে এ রায়ের বাস্তবায়ন।
এদিকে হাইকোর্টের রায়ের স্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আনসার কর্তৃপক্ষ।
আনসার কর্তৃপক্ষ জানায়, এই ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে স্বররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেখান থেকে নির্দেশনা আসলেই ব্যবস্থা নিবে আনসার কর্তৃপক্ষ।
এফএইচ/