দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গতকাল যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা দেশে মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হয়েছে। আজও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পশু কুরবানি করছেন সামর্থ্যবান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ইসলামের বিধি মোতাবেক, ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত পশু কুরবানি দেওয়া যায়।
মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় শুক্রবার (৩০ জুন) ফজরের নামাজের পর পরই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পশু কুরবানি শুরু হয়। মূলত, ঈদের দিন ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীতে বৃষ্টি হওয়ায় অনেকেই পশু জবাই দেননি। তাই, ঈদের দ্বিতীয় দিনে অনেকেই পশু কুরবানি দিচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই এলাকার অলিগলি, বাসার নিচের গ্যারেজে, প্রধান সড়কে পছন্দের গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া, দুম্বা কুরবানি করছেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা।
রাজধানীর শনির আখড়ার বাসিন্দা মজিবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবার ঈদের দিনই পশু কুরবানি করি। এবার কসাই না পাওয়ায় আজ কুরবানি করছি। আর দ্বিতীয় দিনে কসাইয়ের খরচও কম।’
পুরান ঢাকার টিপু সুলতান জানান, আমরা সবসময় ঈদের দ্বিতীয় দিনেই কুরবানি দিয়ে থাকি। তবে, আজ জুমার দিন হওয়ার ফজরের পরেই পশু জবাই দেওয়া হয়। সাড়ে ১২টায় আযান হয়ে যায়। তাই দ্রুত সবকিছু শেষ করে নামাজের প্রস্তুতি নেব।
শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা মেশকাত বলেন, ঈদের দিন কসাই পাওয়া যায় না। তাই, ঝামেলামুক্ত থাকতে দ্বিতীয় দিনে পশু কুরবানি দিচ্ছি।
বাংলামোটরের বাসিন্দা মিলন জানান, গত দুইদিন ধরেই রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। ঈদের দিন বৃষ্টি হবে আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই জানিয়েছিল। তাই, আগে থেকেই সিদ্ধান্ত ছিল ঈদের দ্বিতীয় দিন পশু কুরবানি করব।
এদিকে, কুরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে পরিষ্কার করার এবং নির্ধারিত স্থানে ফেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।