দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

র্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, কুরবানি হাটে অতিরিক্ত হাসিল গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (২৬ জুন) দুপুরে গাবতলী পশুর হাটে র্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ কথা বলেন।
আল মঈন বলেন, ‘কুরবানির হাটগুলোতে হাসিল ঘর রয়েছে। অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন, অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ এসেছে। হাটগুলোতে আমাদের মোবাইল টিম কাজ করছে। অতিরিক্ত হাসিল গ্রহণ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কঠোর ব্যবস্থা করা হবে।’
প্রতিবছরের মতো এবারও র্যাব কুরবানির হাটকেন্দ্রিক বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। হাট পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে তারা কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করেছে। গাবতলী পশুর হাটে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
মঈন বলেন, কুরবানির হাটে প্রচুর পশু বেচাকেনা হয়। এই কুরবানির পশু বেচাকেনাকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে রাসায়নিক দ্রব্য খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করে অথবা অস্বাস্থ্যকর গবাদিপশু বিক্রি করেন। এসবের বিরুদ্ধে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায়, ভেটেরিনারি ডাক্তারের সমন্বয়ে র্যাব একটি টিম গঠন করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। বিভিন্ন হাটে এই টিম পর্যবেক্ষণে যাচ্ছে ৷
মঈন আরও বলেন, ‘সকাল থেকে গাবতলী হাটেও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ জন ব্যবসায়ীকে সতর্ক করেছি। যারা গবাদিপশু এখানে বেচাকেনা করছে। যাদের আনা গবাদিপশু মানসম্মত নয়।
‘কুরবানির হাটকেন্দ্রিক দালাল, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, প্রতারক চক্র ও জাল টাকার কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গতকাল রাত থেকে হাটকেন্দ্রিক অভিযানে প্রতারণা, ছিনতাইয়ে জড়িত ২০ জনকে আমরা করেছি গ্রেপ্তার করেছি।’
কমান্ডার মঈন বলেন, ‘কুরবানির হাটকেন্দ্রিক প্রচুর টাকার নগদ লেনদেন হয়। যেখানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জাল টাকা নিয়ে হাটে আসে, লেনদেনের চেষ্টা করে। এই হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন আমরা র্যাব কন্ট্রোল রুমে রেখেছি। আমরা কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে ৫০-এর অধিক কারবারিকে আটক করেছি। ৫০ লক্ষাধিক টাকার জাল টাকা জব্দ করা হয়েছে।’
সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতাদের উদ্দেশে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘আপনারা যারা কুরবানির পশু হাটে ক্রয়-বিক্রয় করবেন, তারা নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নেন, প্রয়োজনে লেনদেনের টাকা জাল কি না—তা মেশিনে জাল টাকা শনাক্ত করুন। এতে আমরা জাল টাকা কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে পারব।’