দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়া হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতেও সহায়ক। পাশাপাশি, কুমড়ার বীজ চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।
দীর্ঘদিন ধরে যদি ঘুমের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে কুমড়ার বীজ আপনার জন্য কার্যকর হতে পারে। কারণ, এতে রয়েছে সেরোটোনিন, যা মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে দ্রুত ঘুম আনতে সাহায্য করে। তাই স্বাস্থ্যের নানা দিক উন্নত করতে কুমড়ার বীজ খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
জেনে নিন এর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-
১. পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ: মিষ্টি কুমড়ার বীজে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন (যেমন ভিটামিন ই), এবং মিনারেল (যেমন ম্যাগনেসিয়াম, দস্তা এবং লৌহ) রয়েছে।
২. হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করে: এর মধ্যে থাকা স্বাস্থ্যকর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
৩. ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে: মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে থাকা দস্তা (জিঙ্ক) ইমিউন সিস্টেম মজবুত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ৪. হাড় মজবুত করে: ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে সাহায্য করে। ৫. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি: মিষ্টি কুমড়ার বীজে ট্রিপ্টোফ্যান নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, যা সেরোটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে। এটি মানসিক চাপ কমায় এবং ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে। ৬. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাবলী: এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ই এবং অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমায়।
৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: মিষ্টি কুমড়ার বীজে গ্লাইকেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। ৮. কোলেস্টেরল কমায়: এর মধ্যে থাকা ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। ৯. ওজন কমাতে সহায়ক: ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যা ওজন কমানোর প্রচেষ্টায় সহায়ক।
জে আই/ আরএ