দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী পেঁপে। তা কাঁচা হোক কিংবা পাকা। সুমিষ্ট পাকা পেঁপে রং, সুবাস আর স্বাদে অতুলনীয়। পেঁপেতে ভিটামিন বি, বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জিক্সানথিন, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন কে রয়েছে যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। অসুস্থতাতেও চিকিৎসকরা রোগীকে পেঁপে খাওয়ানোর পরামর্শ দেন।
যদিও পেঁপে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং এতে বেশ কিছু পুষ্টিগুণ রয়েছে, তবুও এই ফল খাওয়া সবার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই ফলটি এড়িয়ে চলাই ভালো। যেমন-
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায় কাচা পেঁপে এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এটি এর রেচক বৈশিষ্ট্যের কারণে জরায়ু সংকোচনের কারণ হতে পারে। যেসব নারীদের গর্ভপাতের পূর্ব ইতিহাস রয়েছে তাদের সম্পূর্ণরূপে পেঁপে এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে গর্ভাবস্থায় পরিমিত পরিমাণে পাকা ফল খাওয়া যেতে পারে।
কিডনিতে পাথর
পেঁপেতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। পেঁপে রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং পেশির ক্র্যাম্পিং কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত ভালো জিনিস কখনও কখনও খারাপ হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন সি কিডনিতে পাথর তৈরি করে। এ কারণে অতিরিক্ত পাকা পেঁপে না খাওয়াই ভালো।
ল্যাটেক্স এলার্জি
আপনার যদি ল্যাটেক্স অ্যালার্জি থাকে তাহলে পেঁপে না খাওয়াই ভালো। হৃৎপিণ্ডের সমস্যা
যাদের হৃদরোগজনিত জটিলতা আছে তাদের পেঁপে খাওয়া ঠিক নয়। পেঁপেতে উপস্থিত প্যাপেইন উপাদান হৃদস্পন্দনের গতি কমিয়ে দেয়, এর ফলে হৃদরোগজনিত জটিলতা বাড়ে। এ কারণে কারও যদি ইতিমধ্যেই কোনও কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা থাকে তবে পেঁপে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হাইপোথাইরয়েডিজম
হাইপারথাইরয়েডিজম হল এমন এক অবস্থা যেখানে শরীর যথেষ্ট থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে না। থাইরয়েড হরমোন বৃদ্ধি, কোষ তৈরি এবং বিপাক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হৃৎপিণ্ডের মতোই, হাইপোথাইরয়েডিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপর পেঁপের একই প্রভাব হয়। তাই হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পেঁপে খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।