দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সব বয়সের লোকেরা প্রায়শই ব্রণের সমস্যায় ভোগেন। যার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে অনেকের ব্রণ হলে তা পরিচর্যা করলে সেরে যায়। আবার কিছু ব্রণ আছে যা সহজে সারতে চায় না, আর সারলেও বারবার ফিরে আসে। তবে এক্ষেত্রে সর্বোত্তম চিকিৎসার কৌশলটি আপনার ব্রণের ধরণের উপর নির্ভর করবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর দুটি সর্বাধিক প্রচলিত ধরন হলো ব্যাকটেরিয়া এবং হরমোনজনিত ব্রণ।
মার্কিন লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন ফোবস থেকে জানা যায়, কিছু লক্ষণ আছে, যা থেকে আপনার ব্রণ হওয়ার কারণ বুঝতে পারবেন। তাহলে চলুন সেসব জেনে নেওয়া যাক:
হরমোনজনিত ব্রণ, যা প্রায়শই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দেখা যায়, তাদের মাসিক চক্রের সময় নারীদের এবং পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) এর মতো হরমোনের ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের শরীরের হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের কারণে দেখা যায়। গাল, চিবুক এবং চোয়ালে, হরমোনজনিত ব্রণ ঘন ঘন গভীর, যন্ত্রণাদায়ক সিস্ট দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। মৌখিক গর্ভনিরোধক, স্পিরোনোল্যাকটোন, টপিকাল রেটিনয়েড এবং অ্যান্টিবায়োটিক সবই হরমোনের ব্যথার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
সাধারণত দুই পর্যায়ে হরমোনাল ব্রণের চিকিৎসা করা হয়। প্রথমত লোমকূপ পরিষ্কার করে আর দ্বিতীয় ধাপ হল ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে হরমোনের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ।
স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, বেঞ্জোয়েল পারোক্সাইড এবং রেটিনয়েডস সমৃদ্ধ প্রসাধনী দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পাশাপাশি চিকিৎসকের মতানুসারে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন চিকিৎসক।
এছাড়া মানসিক চাপের হরমোন কর্টিরসল বৃদ্ধি কারণেও ব্রণ হয়। এই হরমোন নিয়ন্ত্রণ করতে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। ত্বকে অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ কমাতে দুগ্ধজাত খাবার এড়ানো উপকারী।
অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ব্রণ দেখতে ফুসকুড়ির মতো লাগে। চিকিৎসকদের মতে, এটি মুখ বা শরীরের যেকোনো জায়গায় দেখা দিতে পারে। আর বেশিরভাগ সময় যেখানে তেল নিঃসরণ বেশি হয় সেখানেই বেশি ওঠে; যেমন- কপাল, গাল বা নাক।এই ব্রণ চক্রাকারে ফিরে আসে না। লালচে ও বেশিরভাগ সময় ব্যথাযুক্ত হয়। এই ব্রণ নরম হয়, তাই চাপ দিলে ভেতরের পানি বের হয়।
ব্যাকটেরিয়ার কারণে ত্বকে কী পরিমাণ ব্রণ উঠেছে সেই হিসেবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
সাধারণত বেঞ্জোয়েল পারোক্সাইড সমৃদ্ধ ফেসওয়াশ ব্যবহারে উপকার মেলে। সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া রোধী উপাদান যেমন ‘ক্লিন্ডামাইসিন’ সমৃদ্ধ লোশন মেখে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর পরিমাণ কমানো যায়।
দুগ্ধজাত খাবার প্রদাহ সৃষ্টি করে। তাই এসব এড়ালে ব্রণ থেকে মুক্তি মেলে দ্রুত।
তিন মাসের মধ্যে ব্রণের সমস্যা ঠিক না হলে ত্বক-বিশেষজ্ঞ বা চর্মরোগের দ্বারস্থ হতে হবে।প্রতিনিয়ত ব্রণ হতে থাকলে সেগুলো খুঁটলে ত্বকে স্থায়ী দাগ হয়ে যায়। তাই চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। তখন সাধারণ ত্বক পরিচর্যায় সুফল পাওয়া যায় না।
এস