দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চলমান তাপপ্রবাহের কারণে দেশজুড়ে অসহ্য গরম অনুভূতি হচ্ছে। এতে নাজেহাল দেশবাসী। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে পা ফেলাই মুশকিল। আবার ভেতরেও ভ্যাপসা গরম। বর্তমানে অনেকেই কর্মজীবনের সঙ্গে জড়িত। এ সময় রোদে বের হলে যে সমস্যা সব থেকে বেশি দেখা যায়, তা হলো মাইগ্রেন।
অনেকে মনে করেন ওষুধ না খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। এটি একদমই ভুল ধারণা। তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে মাইগ্রেনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ, গরমে মাইগ্রেনের সমস্যা বেড়ে যায়। এছাড়া নিজের কিছু ভুল অভ্যাসের কারণেও মাইগ্রেনের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনিক অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। অবশ্য গরমে সেই ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তাই একান্তই না পারলে অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুমান। এমনকি, দিনের পর দিন রাত জাগলে ঘুম কম হয়। আর এতেও মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়বে।
আপনার যদি মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে তাহলে, চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। গরমে আমরা সবাই বাজারজাত ঠান্ডা পানীয় পান করে থাকি। যা শরীরের জন্য একেবারেই ভালো নয়। কারণ, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে মাইগ্রেনের যন্ত্রণাও বাড়তে পারে।
গরমে আমাদের খাওয়ায় অনীহা হয়ে থাকে। এই সময় কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময় অন্তর টুকটাক কিছু খেতে থাকুন। তবে, তা স্বাস্থ্যকর হতে হবে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের প্রকোপ শুরু হয়। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এড়াতে পেট খালি না রাখাই উচিত। সময়ে সময়ে পানি পান করতে হবে।
গরমের দিনে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হয়। আর এই সমস্যা থেকেও কিন্তু মাইগ্রেন হতে পারে। তাই বাইরে বের হলেই সঙ্গে পানি রাখুন। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের পানীয় যেমন ডাবের পানি ও টাটকা ফলের রস খেতে পারেন। তবে সোডাযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
অনেকেই একটানা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন। মাঝে মধ্যে বিরতি না নিলে কিন্তু মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়বে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু চোখে-মুখে পানির ঝাপটা দিন। বারবার বসার জায়গা থেকে একটু উঠে হাঁটুন।
১. মাইগ্রেনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির পাশাপাশি তরল পান করতে হবে। যেমন, ডাবের পানি, আখের রস ও টাটকা ফলের রস ইত্যাদি।
২. প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের হবেন না। তবে খুব বেশি দরকার হলে টুপি ও ছাতা ব্যবহার করতে হবে। এমনকি, সানগ্লাসও ব্যবহার করতে হবে।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম মাইগ্রেন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
৪. মেডিটেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপজনিত মাথাব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে।
এস