দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্পর্ক বিষয়টি আপেক্ষিক। কখনও মনে হয় এর থেকে মধুর আর কিছু নেই। ফলে সেটাকে আরও গভীর করতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সবাই। কিন্তু দেখা যায়, একটা সময় পর সম্পর্কের সেই ভালোবাসা গভীরতা হারিয়ে ফেলে। তৈরি হয় দূরত্ব। একে অন্যকে মানিয়ে নিতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত অনেকেই তাতে ব্যর্থ হন। ফলে ডিভোর্স বা বিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
মনস্তাত্বিক দূরত্ব তৈরি হলে সম্পর্কটা আগের মতো থাকে না। তবে শেষ চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে। সেজন্য হতে হবে ধৈর্যশীল। কমাতে হবে রাগ। কারণ, এই রিপুটি সংসার ভাঙার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণেও সম্পর্কে জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন:
১. অল্প বয়সে বিয়ে করা।
২. শারীরিকভাবে অক্ষম থাকা।
৩. বিয়ের ক্ষেত্রে ভুল মানুষকে নির্বাচন করা।
৪. পারস্পরিক বোঝাপড়া না থাকা।
এ ছাড়া আরও অনেক বিষয় আছে। মূল বিষয় হলো, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতি শ্রদ্বাশীল হতে হবে। একটা সম্পর্ক টিকে থাকে দুজনের বিশ্বাস, ভালোবাসা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের ওপর। যদি এর কোনো একটির ঘাটতি দেখা দেয়, তখন সম্পর্ক জটিল হয়ে ওঠে। তাই সম্পর্ক ঠিক রাখতে দুজনকে একসঙ্গে সেই পরিস্থিতি সামলাতে হবে।
দুজনে একান্তে বসুন। নিজেদের ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করুন। সেগুলো কীভাবে শোধরানো যায়—সেই উপায় বের করুন।
সব থেকে বড় বিষয় হলো, একে অন্যকে সময় দিন। সঙ্গীকে কখনও বোঝানো যাবে না যে, তাকে আপনি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। পারস্পরিক বোঝাপড়া মজবুত করুন। তাহলে দেখবেন, আপনার জীবনে ‘বিচ্ছেদ’ নামক শব্দটি হারিয়ে যাবে।
এস/আর