দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতিতে সই না করায় আলোচিত সেই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়াকে বরখাস্ত করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয় থেকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়াকে বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু করতে সলিসিটর উইংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারের এই আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ, রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ আনা হতে পারে।
বরখাস্ত হওয়ার গুঞ্জনের মধ্যেই আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে এমরান আহম্মদ ভূঁইয়ার নেমপ্লেট খুলে ফেলা হয়েছে। বিকেলে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আরেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ফজলুল হক। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি হিসেবে রাষ্ট্র এমরান আহম্মদ ভূঁইয়াকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখবেন। অথচ রাষ্ট্রের একজন আইন কর্মকর্তা হয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই তার নেমপ্লেটটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে থাকতে পারেন না বলে মনে করি। যে কারণে তার নেমপ্লেট খুলে ফেলেছি।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পঞ্চম তলায় অবস্থিত একটি কক্ষে বসতেন এমরান। কক্ষের সামনে তার নাম উল্লেখ করে নেমপ্লেট সাঁটানো ছিল।
এর আগে সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া বলেন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি, তিনি বিচারিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে আমি মনে করি।
তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের পক্ষে ১৬০ জন বিদেশি ব্যক্তি বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটনও রয়েছেন। ওই বিবৃতির বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি ড. ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করব না। এ ছাড়া ড. ইউনূসের পক্ষে বিদেশিরা যে বিবৃতি দিয়েছেন; আমি তাদের সঙ্গে একমত।
এফএইচ