দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে নিষেধাজ্ঞার রিটে বিচারকের বিরুদ্ধে অনাস্থা দেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এ ঘটনায় রিটকারী আইনজীবী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিবি বলেন, বিচারকের বিরুদ্ধে কীভাবে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা অনাস্থা দেন।
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তারেক রহমানের বক্তব্য সরাতে আদেশের পর সোমবার (২৮ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নে এই রিটকারীর আইনজীবী মো. কামরুল ইসলাম এ মন্তব্য করেন।
এর আগে সকালে আইনের দৃষ্টিতে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য ইউটিউব, ফেসবুকসহ সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে অবিলম্বে ব্লক, অপসারণ বা সরিয়ে ফেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অথরিটি-বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ আদেশকে কেন্দ্র করে বিএনপির আইনজীবীরা হট্টগোল করলে বিচারকরা এজলাস ছেড়ে চলে যান।
পরে রিট আবেদনের পক্ষের আইনজীবী মো. কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, তারা অযাচিতভাবে কোর্টের কার্যকলাপ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। তারা আজ ন্যক্কারজনক কাজ করেছেন। সেদিন তারা পক্ষভুক্ত হওয়ার জন্য একটি দরখাস্ত দিয়েছিল, সেটা খারিজ করা হয়েছে।
বিএনপির আইনজীবীদের উদ্দেশে কামরুল ইসলাম বলেন, তারা এই মামলায় কীভাবে কথা বলে। তারা কেন অহেতুক ডিস্টার্ব করে। খামোখা তারা আদালতের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। আজ তারা আদালতে ন্যক্কারজনক কাজ করেছে, কজলিস্ট ছুড়ে মেরেছে। এটা সম্পূর্ণ আদালত অবমাননার শামিল। তারা সমস্ত ক্ষেত্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি করতে চায়। তারা তো এই মামলায় পার্টিই না। তাদের অথরিটি নেই। তারা প্রধান বিচারপতির কাছে অনাস্থা দেওয়ার কে। কোন যুক্তিতে, কী হিসেবে, তারা অহেতুক যুক্তি দাঁড় করিয়েছে।
আরএ