দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং অ্যাপের ভেতরেই সরাসরি পণ্য কেনার নতুন সুবিধা চালু করেছে। সোমবার এ ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
টিকটকের নতুন শপিং অ্যাসিস্ট্যান্টকে কথোপকথনভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন পণ্য খুঁজে বের করা থেকে শুরু করে কেনাকাটা পর্যন্ত সহায়তা পাবেন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই সহকারী কথোপকথনের প্রেক্ষাপট বুঝতে পারে এবং পুরো আলোচনায় ব্যবহারকারীর পছন্দ ও প্রয়োজন মনে রাখতে পারে।
এআই-ভিত্তিক এই শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট পণ্যের বিস্তারিত তথ্য, পণ্য পাঠানোর তথ্য, মাপ, পণ্যের প্রাপ্যতা এবং কেনাকাটা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেবে।
টিকটকের ধারণা, অ্যাপের মধ্যেই শপিং অ্যাসিস্ট্যান্ট যুক্ত করার ফলে কোনো পণ্য নিয়ে প্রশ্ন থাকলে ব্যবহারকারীরা বাইরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেবার পরিবর্তে টিকটকেই তথ্য খুঁজবেন।
নতুন এসব সুবিধা চালুর ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম ও অর্থ পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে টিকটক। এর মধ্যে রয়েছে সেলসফোর্স, শপিফাই, শপলাজা ও স্ট্রাইপসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
এতদিন টিকটকের নিজস্ব বাজারব্যবস্থা ‘টিকটক শপ’ ছিল প্রতিষ্ঠানটির ই-বাণিজ্য কার্যক্রমের প্রধান মাধ্যম। নতুন সুবিধাগুলোর মাধ্যমে সেই পরিসর আরও বিস্তৃত করছে টিকটক। এখন শুধু টিকটক শপের ওপর নির্ভর না করে অ্যাপটির অন্যান্য অংশেও সরাসরি কেনাকাটার সুবিধা যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ‘ফর ইউ’ ফিডও রয়েছে।
টিকটকে কেনাকাটার প্রবণতা বাড়ার সময়েই এই সম্প্রসারণের ঘোষণা এলো। গত সপ্তাহে প্রকাশিত টিকটকের অর্থনৈতিক প্রভাববিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাগুলোর জন্য ৮১ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক উৎপাদনে ভূমিকা রেখেছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন নাগরিক টিকটকের ভিডিও দেখার পর কোনো পণ্য কিনেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক শপ চালু হয় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমার্কেটার-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক শপের বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক মোট বাণিজ্যের প্রায় ১৮ শতাংশ ছিল এই বিক্রি।
/অ