দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

একাই স্কুটার চালিয়ে যাচ্ছিলেন সৌভিক দত্ত। মাথায় হেলমেটও ছিল। তবে পিঠে ঝোলানো ছিল একটি গিটার। কয়েক দিন পর স্ত্রীর হাতে পৌঁছাল ট্রাফিক আইন ভঙ্গের নোটিশ। অভিযোগ, স্কুটারের পেছনে থাকা যাত্রী হেলমেট পরেননি। জরিমানার পরিমাণ ৫০০ রুপি।
বেঙ্গালুরুর এই ঘটনায় সৌভিক দত্তের দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ট্রাফিক ক্যামেরা তার পিঠে ঝোলানো গিটারকেই হেলমেটবিহীন যাত্রী হিসেবে শনাক্ত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দত্ত জানান, তিনি তার স্ত্রীর বৈদ্যুতিক স্কুটারে একাই বেঙ্গালুরুতে যাচ্ছিলেন। মাথায় হেলমেট ছিল এবং কাঁধে ঝোলানো ছিল গিটার। কিন্তু কয়েক দিন পর তার স্ত্রী একটি ট্রাফিক আইন ভঙ্গের নোটিশ পান।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, স্কুটারে পেছনে থাকা যাত্রী হেলমেট পরেননি। এর সঙ্গে সড়কের ক্যামেরায় ধারণ করা একটি ছবিও দেওয়া হয়। ছবিতে অবশ্য দেখা যায়, দত্ত একাই স্কুটার চালাচ্ছেন এবং তার পিঠের পেছনে রয়েছে গিটারের বাক্স।
ঘটনাটি তুলে ধরে দত্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি ও জরিমানার বিস্তারিত প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত এই ব্যবস্থার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং জরিমানাটি বাতিলের অনুরোধ জানান।
পোস্টে দত্ত লেখেন, ‘আমি বেঙ্গালুরুতে আমার স্ত্রীর দুই চাকার যান একাই চালাচ্ছিলাম, পিঠে ঝোলানো ছিল আমার গিটার। আমার স্ত্রী ‘হেলমেট ছাড়া পেছনের যাত্রী’ থাকার অভিযোগে একটি ট্রাফিক নোটিশ পেয়েছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্তকরণের নমুনা এটি। অনুগ্রহ করে জরিমানাটি বাতিল করুন।’
দত্তের পোস্টে নোটিশ নম্বরও উল্লেখ করা হয়।
পরে বেঙ্গালুরু ট্রাফিক পুলিশের সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে ওই পোস্টের জবাব দেওয়া হয়। দত্তকে জরিমানার বিষয়টি সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে অথবা দুটি ফোন নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন মন্তব্য করেন, এমন ভুল ট্রাফিক ক্যামেরায় প্রায়ই হয়। আরেকজন দাবি করেন, জরিমানা বাতিলের জন্য আবেদন করতে গেলে কয়েক মাস মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত কেউ বিষয়টি শুনবে না।
অন্যদিকে একজন মজা করে মন্তব্য করেন, ‘পেছনের যাত্রীর তো হেলমেট দেখা যাচ্ছে না।’
/অ