দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলার সক্ষমতা ঠেকানো এবং দেশটির জনগণের জন্য শাসকদের পরিবর্তনের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে এসব লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র এখনো পুরোপুরি সফল হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান নিজেদের আগের চেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে শুল্ক আদায়ের মতো নতুন কৌশলগত সুবিধাও পাওয়ার আশা করছে তেহরান।
সৌদি আরবে হামলা এবং ইয়েমেনে হুথিদের অগ্রযাত্রা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন সংকট তৈরি করেছে। একদিকে সৌদি মিত্রদের সহায়তা ও সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা ওয়াশিংটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে নতুন একটি যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়তেও তারা সতর্ক।
২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করা হুথিরা এক দশকের বেশি সময় ধরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে লড়াই করছে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর আগে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান বৃহত্তর যুদ্ধে তারা তুলনামূলকভাবে সরাসরি জড়ায়নি। বর্তমানে লোহিত সাগরের উপকূল ধরে তাদের অগ্রযাত্রা ইয়েমেনে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা করেছে।
২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র দুই মাস ধরে হুথিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছিল। পরে হুথিরা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলার হুমকি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই অভিযান বন্ধ করেন।
রয়টার্সকে তিনটি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের কার্যত শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বৃহস্পতিবার ট্রাম্পকে ফোন করে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামরিক সহায়তা চেয়েছিলেন। তবে আপাতত সৌদি আরবকে শুধু গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার ট্রাম্পও সৌদি যুবরাজের সঙ্গে তাঁর কথা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, হুথিরাও যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইয়েমেনের যুদ্ধে ওয়াশিংটনকে বাইরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/