দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান নিয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকাতে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের জন্য কোনো ধরনের ক্ষমা চাইবেন না বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি। এমনকি এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জ্বালানির জন্য কিছুটা বেশি অর্থ গুনতে হলেও সেটিকে ‘গ্রহণযোগ্য মূল্য’ হিসেবে দেখছেন ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টিতে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা যে পেট্রোলের জন্য সামান্য একটু বেশি দাম দিচ্ছেন, শুধু মনে রাখবেন আপনারা এটা করছেন যাতে একটি অত্যন্ত দুষ্ট দেশ পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।’
ইরানকে বিশ্বের ‘সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় না দেশটি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হোক। তিনি আমেরিকানদের ওপর যুদ্ধের আর্থিক প্রভাবকে লঘু করে দেখছেন এবং বলেছেন, ইরানের ওপর হামলা চালানোর তার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল।
তিনি বলেন, ‘দাম এখন ৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এটা ঠিক আছে। আমি কখনোই ক্ষমা চাইব না। আমি সঠিক কাজটিই করেছি।’ এর কিছুক্ষণ আগে হোয়াইট হাউসের বিদায়ী প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘গ্যাসের দাম কম রাখা এবং ইরানের হাতে যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য দুটিই প্রেসিডেন্টের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার প্রতি গ্যালন সাধারণ গ্যাসের গড় মূল্য ছিল ৪ দশমিক ০৭ ডলার, যা এক মাস আগে ছিল ৩ দশমিক ৮৫ ডলার এবং এক বছর আগে ছিল ৩ দশমিক ১৬ ডলার।
যুদ্ধ চলাকালীন, ট্রাম্প যুক্তি দিয়ে এসেছেন যে ইরানের হাতে যেন পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য গ্যাসের উচ্চ মূল্য একটি সামান্য মূল্য মাত্র। কিন্তু সিএনএনের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান বলেছেন, আমেরিকানদের জীবনহানি এবং মার্কিন সরকারের ওপর আর্থিক বোঝার তুলনায় এই যুদ্ধ যুক্তিযুক্ত ছিল না।
কেএম