দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ করার পর হরমুজ প্রণালীকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাঁর এই বক্তব্য কতটা বাস্তব নীতিগত পদক্ষেপ, নাকি রাজনৈতিক বক্তব্য—তা স্পষ্ট নয়।
শুক্রবার নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগিরই তিনি হরমুজ প্রণালীকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন। এ সময় তিনি বলেন, বিষয়টি সত্য।
ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন বক্তব্যে ইরান ভয় পাবে না। কৌশলগত এই জলপথ ইরানের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্বের অধীনেই থাকবে বলেও জানান তিনি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালান এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।
যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালীর চলাচল বন্ধ করে দেয়। এর জবাবে ইরানি জাহাজ ও বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ নিয়ে দুই দেশের অচলাবস্থার কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও তেলের দাম বেড়েছে।
সমাবেশে ট্রাম্প মার্কিন নাগরিকদের জ্বালানির জন্য কিছুটা বেশি মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে এই মূল্য দেওয়া যুক্তিযুক্ত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নাবিকদের জীবনযাত্রা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের কথাও উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। প্রায় নয় মাস ধরে সমুদ্রে থাকা রণতরিটির মোতায়েনকে বেশি দীর্ঘ মনে করেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই মোতায়েন বরং যথেষ্ট দীর্ঘ হয়নি।
ট্রাম্প জানান, লিংকনের পরিবর্তে একই ধরনের আরেকটি রণতরি দায়িত্ব নেবে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
এমএস/