দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পর সুনামির সতর্কতা জারি হলে আতঙ্কে হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় ছুটে যান। পরে ওই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের উত্তর উপকূলের অদূরে, উপকূলীয় শহর এনডে থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।
ভূমিকম্পের পর একই এলাকায় একাধিক শক্তিশালী পরাঘাত অনুভূত হয়। এর মধ্যে একটি পরাঘাতের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১।
সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা নাগেকেও রিজেন্সির বাসিন্দারা ভূমিকম্পের পর দ্রুত উঁচু এলাকায় চলে যেতে শুরু করেন। সমুদ্রের পানি সরে যেতে দেখে অনেকে সুনামির আশঙ্কায় আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র বার্তন সুয়ার পেলিতা পানজাইতান সাংবাদিকদের বলেন, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত দুজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী।
তিনি বলেন, তথ্য যাচাই শেষে হতাহতের সংখ্যা এবং ভবন ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের বাসিন্দা ৩১ বছর বয়সী লুকাস লোতার বলেন, ‘হঠাৎ সবকিছু কাঁপতে শুরু করে। আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।’ তিনি জানান, হাসপাতালের রোগীরাও আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে যান। ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে হাসপাতালের কয়েকটি দেয়ালে ফাটল দেখা গেছে।
নাগেকেওর ৫৬ বছর বয়সী বাসিন্দা ইয়োহানেস বাবো বলেন, তিনি একটি বাজারে থাকা অবস্থায় ভূমিকম্প শুরু হয়। তিনি বলেন, মানুষ আতঙ্কে ছোটাছুটি করছিলেন। পরে নিরাপত্তার জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পাহাড়ি এলাকায় চলে যান।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
যে আই