দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো নির্মাণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া। এ লক্ষ্যে অ্যাপোলো, ব্ল্যাকরক, ব্ল্যাকস্টোন, ব্রুকফিল্ড, গোল্ডম্যান স্যাকস ও কেকেআরসহ শীর্ষস্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি করেছে মার্কিন কোম্পানিটি।
সোমবার এনভিডিয়া জানায়, এই অর্থায়নের মাধ্যমে এআই অবকাঠামো নির্মাণে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো চিপ ও কম্পিউটিং অবকাঠামো কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ঋণ হিসেবে নিতে পারবে। বিশেষ করে ছোট ও নতুন এআই কোম্পানিগুলোর জন্য এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং বলেন, এআই কম্পিউট বা এআই মডেল তৈরিতে ব্যবহৃত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এখন একটি বিনিয়োগযোগ্য সম্পদ হিসেবে বিকশিত হচ্ছে। তিনি এ ধরনের অবকাঠামোকে এআই কারখানা হিসেবে উল্লেখ করেন।
হুয়াং বলেন, আগে কোম্পানিগুলো আলাদাভাবে চিপ কিনে প্রকল্পভিত্তিক ডেটা সেন্টার তৈরি করত। এখন এআই কারখানাকে উৎপাদনশীল অবকাঠামো হিসেবে অর্থায়ন করা সম্ভব হবে।
অ্যাপোলোর প্রেসিডেন্ট জিম জেল্টার বলেন, আধুনিক কম্পিউট অবকাঠামো এখন একটি সীমিত ও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে, যার বিনিয়োগ বৈশিষ্ট্যও আকর্ষণীয়।
এআই খাতে চলমান বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এনভিডিয়া। বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানির এআই মডেলে ব্যবহৃত চিপ ও অন্যান্য হার্ডওয়্যার তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালের শুরু থেকে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম চার গুণেরও বেশি বেড়েছে। বর্তমানে এনভিডিয়ার বাজারমূল্য প্রায় ৫ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার।
তবে এআই খাতে বিপুল অর্থ ও ঋণনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে। একই খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পণ্য কেনার চুক্তির কারণে এআই পণ্যের প্রকৃত চাহিদা কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ডিভিয়ার গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাইজেল গ্রিন বলেন, চিপের দ্রুত মূল্যহ্রাসের কারণে এতদিন এগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের জামানত হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। নতুন প্রজন্মের চিপ বাজারে এলে আগের প্রজন্মের চিপ দ্রুত মূল্য হারায়। ফলে ভবিষ্যতে এআই অবকাঠামোকে ভবন বা মহাসড়কের মতো দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ হিসেবে ঋণের বিপরীতে ব্যবহার করতে হলে এর মূল্য কতটা ধরে রাখা যায়, সেটিই বড় প্রশ্ন।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/