দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তেহরান। এ ছাড়া আরও কয়েকটি শর্তও দিয়েছে দেশটি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের আদেশ হরমুজ প্রণালির ভেতর ও বাইরের ইরানের সব বন্দরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু নৌ অবরোধ বলতে কী বোঝায়?
নৌ অবরোধ একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামরিক যুদ্ধের একটি কৌশল। নৌযুদ্ধের আইনসংক্রান্ত নিউপোর্ট ম্যানুয়াল অনুযায়ী, অবরোধের মধ্যে সমুদ্রে পাওয়া নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করা এবং শত্রুপক্ষের সম্পদ জব্দ বা ধ্বংস করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।
ম্যানুয়ালে বলা হয়েছে, এসব পদ্ধতির মাধ্যমে শত্রুর রপ্তানি থেকে অর্থনৈতিক আয় এবং যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়ক আমদানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়।
আইনগতভাবে বৈধ হতে একটি নৌ অবরোধকে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
অবরোধ ঘোষণা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে জানাতে হবে। অর্থাৎ, যেসব জাহাজ এর আওতায় পড়তে পারে, সেগুলোকে সতর্ক করতে হবে।
অবরোধ কার্যকর হতে হবে। অর্থাৎ, এটি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পর্যাপ্ত যুদ্ধজাহাজ ও বিমান থাকতে হবে।
অবরোধ নিরপেক্ষ হতে হবে এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের জাহাজকে বেছে নিয়ে প্রভাবিত করা যাবে না।
অবরোধের মূল লক্ষ্য শুধু বেসামরিক জনগোষ্ঠী হতে পারবে না। তবে এর ফলে বেসামরিক জনগণের ক্ষতি হতে পারে।
নিরপেক্ষ দেশগুলোর বন্দরে প্রবেশের পথ বন্ধ করা যাবে না।
হরমুজ প্রণালির মতো কোনো আন্তর্জাতিক নৌপথও অবরোধ করা যাবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে।
এমএস/