দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ভিসা বন্ড কর্মসূচি স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ৫০টি দেশের নাগরিকদের ভিসা দেওয়ার আগে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দিতে হতে পারে।
শুক্রবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন বিধান আগামী ৩ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
এ নীতি বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে ভিসা ইস্যুর শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা ভিসা বন্ড কর্মসূচি ইতিবাচক ফল দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বন্ড ব্যবস্থা ভিসার শর্ত মানতে আবেদনকারীদের উৎসাহিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার ও সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলারের বন্ডের সুযোগ ছিল। তবে নতুন স্থায়ী নীতিতে ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
এই কর্মসূচি ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে ৩০টি দেশ আফ্রিকা মহাদেশের।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার প্রবণতা কমাতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিবাসন-অধিকারকর্মীরা বলছেন, এতে বৈধ ভ্রমণকারীরাও নিরুৎসাহিত হবেন।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে এসব পদক্ষেপ প্রয়োজনীয়।
এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে নির্দিষ্ট কিছু ভিসার আবেদন ফি বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়াও আরও কঠোর করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/