দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তির খবরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এ চুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
ইসরায়েল বেইতেনু দলের নেতা ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান বলেন, সৌদি আরবের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্রে রূপ নেবে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করবে।
ডেমোক্র্যাটস পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়াইর গোলান বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েলের জন্য ‘বিপজ্জনক বাস্তবতা’ তৈরি করছে। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু ‘অসম্ভবকে সম্ভব’ করেছেন। তিনি একদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সুযোগ হারিয়েছেন, অন্যদিকে দেশটিকে পরমাণু সক্ষমতা অর্জনের পথও খুলে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় সৌদি আরবের সঙ্গে পরমাণু সহযোগিতা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানান জাতীয় নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ গবেষক ইয়োয়েল গুজানস্কি।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং পরবর্তী যুদ্ধের পর সেই সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে গেছে। তার মতে, বর্তমান ডানপন্থী ইসরায়েলি সরকারের অধীনে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার রাজনৈতিক পরিবেশও নেই।
গুজানস্কির ভাষ্য, এই চুক্তিতে সৌদি আরব কোনো মূল্য না দিয়েই বড় সুবিধা পেয়েছে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু বিস্তারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং অন্য দেশগুলোও একই ধরনের সুবিধা দাবি করতে পারে। তবে ইসরায়েল চাইলে কংগ্রেসের মাধ্যমে চুক্তিতে তদারকি ও পরিদর্শন ব্যবস্থাসহ কিছু বিষয়ে পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারে।
সূত্র: সিএনএন
/অ