দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রায় দুই দশক পর লেবাননের কোনো প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করলেন।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আওন বলেন, ইসরায়েল, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির প্রতি দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরির সমর্থন রয়েছে।
বৈঠকে আওন ট্রাম্পকে এ চুক্তি সম্পাদনে ভূমিকার জন্য ‘ঐতিহাসিক’ অর্জন বলে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার বৈরিতার স্থায়ী অবসান ঘটানো।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বর্তমানে ইরান-সমর্থিত লেবাননের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েল সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। লেবাননে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির প্রচেষ্টাও জটিল হয়ে উঠেছে।
বৈঠকে জোসেফ আওন বলেন, লেবাননের পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি তাদের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বেরি শিয়া রাজনৈতিক দল আমালের প্রধান, যা হিজবুল্লাহর মিত্র।
আওন আরও বলেন, এ চুক্তির জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। এটি প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক এখতিয়ার। তিনি জানান, নাবিহ বেরি যুদ্ধের অবসান এবং লেবানন-ইসরায়েলের বৈরিতা চিরতরে শেষ করার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন
/অ