দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে টানা সপ্তম দিনের সামরিক হামলার পরও অভিযান কতদিন চলবে বা এর চূড়ান্ত লক্ষ্য কী—সে বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এখনও স্পষ্ট কোনো বার্তা দেয়নি। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিনই ইরানে হামলা চালাচ্ছে এবং দেশটির বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে হামলার পরিধি আরও বাড়ানোর বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করেছে সামরিক বাহিনী। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার লক্ষ্যে অভিযান জোরদারের পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে। তবে কৌশলগত এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে রাজি নয় তেহরান।
সাম্প্রতিক বক্তব্যে ট্রাম্প হামলা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বেসামরিক অবকাঠামো ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলারও হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সংঘাতের সময়কালকে তুচ্ছ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ভিয়েতনামে ১৯ বছর ছিলাম। এখানে চার মাস, তাই আমরা অনেক কিছু করেছি।’
এর আগে মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যথেষ্ট বলার আগ পর্যন্ত হামলা চলবে।’ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেও তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই এর ফলাফল দেখতে পাবেন।’
অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মনে করেন, শুধু সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ভাঙা সম্ভব নয়। এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বোমা হামলা করে তাদের রাডার, ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা সম্ভব। কিন্তু প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো খুবই সহজ। তাই শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসে সমাধান খুঁজতে হবে।’
মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্ব পালন করা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রায়ান ক্রকারও একই মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বোমা হামলা চালিয়ে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয়।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/