দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি দেশটিকে আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ট্রাম্প এখন কূটনীতির চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে বারবার সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিচ্ছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং যুদ্ধবিরতিও টেকসই থাকছে না। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী এবং তা যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস ধরে চলমান সংঘাতে বহু ইরানি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ছে। তবু ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে সামরিক অভিযান ও অবরোধের পথেই এগোচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনও টিকে আছে এবং ধারাবাহিক হামলার পরও দেশটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির কার্যকারিতা ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তারা সতর্ক করেছেন, স্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ছাড়া সংঘাত চালিয়ে গেলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরেকটি ‘ফরএভার ওয়ার’ বা দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে পরিণত হতে পারে।
এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের সরবরাহ ও দামে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/