দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্বাচন নিরাপত্তাবিষয়ক ভাষণ উপেক্ষা করায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবিসি, এনবিসি ও সিএনএনের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ তুলে তাদের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের চার মাস আগে দেওয়া ওই ভাষণে ট্রাম্প মূলত দেশটির নির্বাচনব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘এক বিরল পদক্ষেপে ভুয়া সংবাদমাধ্যম এবিসি ও এনবিসি জানিয়েছে, তারা আমার এই ভাষণ সম্প্রচার করবে না। এ ধরনের প্রতারণার শাস্তি হিসেবে তাদের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিল হওয়া উচিত।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটির সংবিধানের প্রথম সংশোধনী অনুযায়ী কোনো টেলিভিশন নেটওয়ার্ক কী সম্প্রচার করবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। যদিও অতীতে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ভাষণ অধিকাংশ সম্প্রচারমাধ্যমই সরাসরি প্রচার করেছে।
এবিসি নিউজের এক মুখপাত্র জানান, ট্রাম্পের ভাষণটি মূল টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার না করে তাদের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এবং রেডিও সেবায় সম্প্রচার করা হয়েছে।
একইভাবে এনবিসিও ভাষণটি তাদের মূল সম্প্রচার চ্যানেলের পরিবর্তে বিনামূল্যের স্ট্রিমিং সেবায় প্রচার করে। তবে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে সিএনএন জানিয়েছে, ভাষণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সেটি তাদের ওয়েবসাইট এবং গ্রাহকভিত্তিক স্ট্রিমিং সেবায় সরাসরি দেখানো হয়েছে। সাধারণত এসব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের দর্শকসংখ্যা সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলের তুলনায় কম।
ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপের প্রমাণ বহন করে। এর মাধ্যমে তিনি ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ আবারও সামনে আনেন।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল পরিবর্তনে চীনের হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ওই নির্বাচনে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন।
সূত্র: রয়টার্স
কেএম