দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজের কাছে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এক ব্যক্তি সেখানকার নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় তাদের পাল্টা গুলিতে হামলাকারী নিহত হন।
দেশটির সিক্রেট সার্ভিসের অফিসাররা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ওই বন্দুকধারী তাদের দিয়ে এগিয়ে আসলে তখন তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র বলেছেন, হোয়াইট হাউজের কাছের একটি চেকপয়েন্টে থাকা কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি করা শুরু করেন ওই ব্যক্তি। এরপর তারা পাল্টা গুলি করে ওই হামলাকারীকে আহত করেন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ওই বন্দুকধারীর পাশাপাশি এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন।
সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র এ ব্যাপারে বলেছেন, গোলাগুলির সময় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছোঁড়া প্রাথমিক গুলিতে নাকি পরে উভয়পক্ষের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টা গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।
গোলাগুলির সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বাসভবনে ছিলেন এবং তিনি কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হননি বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, তাদের এক সাংবাদিক কয়েক ডজন গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছেন। ওই সময় সাংবাদিকদের ৪০ মিনিটের জন্য লকডাউনে রাখা হয়। যখন গোলাগুলি শুরু হয় তখন সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা সাংবাদিকদের নিরাপদ আশ্রয় নিতে নির্দেশনা দেন।
সিএনএন বলেছে, হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ সুসি উইলস, বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স হোয়াইট হাউজ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই গুলির ঘটনা ঘটে। সূত্র: সিএনএন
কে