দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি মেয়াদ বাড়ানো হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ২ মার্চ থেকে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরুর পর এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২ জনে। এর আগের দিন নিহতের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২০।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন।
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ এলাকায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান লিতানি নদীর উত্তরে কফর সির পৌরসভার আল-মাহফারা এলাকায় একটি বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়। এতে চারজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হন।
অন্যদিকে হারুফ পৌরসভায় ড্রোন হামলায় পৌর ভবনের কাছে পার্ক করা একটি গাড়ি লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে একজন নিহত এবং পৌর কাউন্সিলের এক সদস্য আহত হন। হামলার সময় শহরবাসীর মধ্যে রুটি বিতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এমন একজনসহ গাড়িতে থাকা অন্তত দুজন আহত হন, যাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এছাড়া ফ্রুন পৌরসভায় বিনত জবেইল শহরের কাছে একটি মোটরসাইকেলে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হন।
টাইর জেলায় তরমুজক্ষেতে কাজ করা কৃষকদের লক্ষ্য করে তিনটি ফসফরাস বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। বোমাগুলো কৃষকদের কাছাকাছি পড়ে, তবে তারা দ্রুত সরে যাওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে মারি-হালতা সংযোগস্থলে চেকপোস্ট বসিয়ে তিন লেবানিজ নাগরিককে আটক করেছে ইসরাইলি বাহিনী। তাদের মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর টাইর থেকে জানান, অব্যাহত ইসরাইলি বিমান হামলার কারণে দক্ষিণ লেবাননের বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘এখানকার মানুষের ধারণা, দক্ষিণ লেবাননকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলতেই এ হামলা চালানো হচ্ছে। সংঘাতটি এখন চতুর্থ মাসে গড়াতে যাচ্ছে এবং হামলার পরিধি আরও বিস্তৃত হচ্ছে।’
পরে মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের ১২টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য জোরপূর্বক সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে তুরা, নাবাতিয়েহ আত-তাহতা, হাব্বুশ, বাজুরিয়েহ, তাইর দেব্বা, কফর হৌনেহ, আইন কানা, লিব্বায়া, জেবশিত, শেহাবিয়েহ, বুর্জ শেমালি ও হৌমিন আল-ফাওকা।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/