দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাজ্যের পারমাণবিক সাবমেরিন ঘাঁটিতে প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে সন্দেহভাজন ২ ইরানি গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটল।
যদিও ব্রিটেন ইরানের ওপর সরাসরি কোনো হামলায় অংশ নেয়নি, তবে দেশটির সামরিক বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
স্কটল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, তারা বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঘাঁটির কাছ থেকে এক পুরুষ ও এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে তাদের জাতীয়তা নিয়ে কোনো মন্তব্য না করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
স্কটল্যান্ড পুলিশ জানায়, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে এইচএম নেভাল বেস ক্লাইডে দুই ব্যক্তির প্রবেশের চেষ্টার বিষয়ে আমরা অবগত হই। এ ঘটনায় একজন ৩৪ বছর বয়সী পুরুষ এবং ৩১ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
ক্লাইড ঘাঁটিটি স্কটল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এবং এটি ব্রিটেনের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রধারী সাবমেরিন বহরের পাশাপাশি অ্যাটাক সাবমেরিনগুলোও রাখা হয়। রয়্যাল নেভি এক বিবৃতিতে এই গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে ব্রিটেনের প্রতি হুমকির বিষয়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-ফাইভ বারবার সতর্ক করে আসছে। তেহরান যুক্তরাজ্যে ২০টিরও বেশি অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
দ্য সান পত্রিকা জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ইরানি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে নারীর জাতীয়তা এখনো জানা যায়নি।
গত এক বছরে যুক্তরাজ্যে ইরানি গুপ্তচর সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইরান বারবার এই স্পাইং বা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং দাবি করেছে, এটি পশ্চিমা শক্তিগুলোর একটি পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ।
এদিকে, লন্ডনে ইহুদি ব্যক্তি ও স্থাপনার ওপর প্রতিকূল নজরদারি চালানোর জন্য ইরানের নির্দেশে কাজ করার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি আদালতে দুই ব্যক্তি হাজির হয়েছেন।